বৃহস্পতিবার ০৪ জুন ২০২০

২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

ই-পেপার

নুর মোহাম্মদ মিঠু

প্রিন্ট সংস্করণ

মার্চ ১৩,২০২০, ১২:৪৮

মার্চ ১৩,২০২০, ১২:৪৮

করোনার প্রভাব

বৈশ্বিক বিমান খাতে ভয়াবহ বিপর্যয়

  • ইতোমধ্যেই বিমান খাতের ক্ষতি তিন হাজার কোটি ইউএস ডলার
  • আজ থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ বাংলাদেশ-ভারতের সব ফ্লাইট
  • ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন নিষেধাজ্ঞায় বিশ্বব্যাপী বিমান খাত মুখথুবড়ে পড়তে পারে —বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা
  • ৩৯ দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে সৌদি আরব
  • মালদ্বীপেও যাচ্ছে না বাংলাদেশের কোনো ফ্লাইট
  • বাংলাদেশসহ গোটা বিশ্বের ভিসা বন্ধের ঘোষণা শ্রীলঙ্কার

করোনা আতঙ্কে বিশ্বের অন্যসব খাতের মতোই ভয়াবহ বিপর্যয়ে পড়তে যাচ্ছে সবচেয়ে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক বাণিজ্যিক খাত- বিমান পরিবহন খাত। ইতোমধ্যে যাত্রী সংকট আর বিভিন্ন দেশের বিমান যোগাযোগ বন্ধের ঘোষণায় ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে বিমান পরিবহন সংস্থাগুলোকে।

করোনা ভাইরাসের কারণে যাত্রীদের ভ্রমণ অনীহায় ইতোমধ্যে বেশির ভাগ ফ্লাইটেই ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক কম যাত্রী হওয়ায় প্রায় তিন হাজার কোটি ইউএস ডলার ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে বৈশ্বিক বিমান সংস্থাগুলোকে।

ক্ষতির এই পরিমাণকে আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থা (আইএটিএ) গত এক দশকে ভয়াবহ বিপর্যয় হিসেবেও উল্লেখ করেছে। এই যখন বৈশ্বিক বিমান খাতের অবস্থা ঠিক তখনই ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, শ্রীলঙ্কা ও সৌদি আরবসহ বিশ্বের অধিকাংশ দেশ ভ্রমণসহ যাবতীয় ভিসা বন্ধ ছাড়াও সব ধরনের ফ্লাইট বন্ধের ঘোষণা দেয়।

এতে বিমান ব্যবসায় সংশ্লিষ্টরা আরও বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা করে বলছেন, বিপর্যয় জেনেও করোনার কারণেই বৈশ্বিক বিমান পরিবহন সংস্থাগুলোকে চলাচল বন্ধের মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে।

ইতোমধ্যে যে পরিমাণ ক্ষতিসাধন হয়েছে এ খাতে এর পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। এছাড়া অনেক বিমান কোম্পানির শেয়ারের দাম অনেকটাই কমে গেছে আশাতীতভাবে এবং আরও কমবে বলেও ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো গত বুধবার বাংলাদেশিদের ভারতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করে ভারত সরকার। আজ থেকে আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বলবৎ রাখার কথা জানায়। বাংলাদেশ ছাড়াও বিশ্বের অন্যান্য দেশের জন্যও একই নিষেধাজ্ঞা জারি করে ভারত।

যে কারণে বাংলাদেশ থেকে ভারতে নতুন করে ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারছে না বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। আজ থেকেই বিমানের কোনো ফ্লাইট ভারতে যাবে না। একই ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে দেশের আরও দুটি বেসরকারি বিমান সংস্থা নভোএয়ার ও ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সকেও।

বিমান, নভোএয়ার ও ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স ভারতে প্রতি সপ্তাহে মোট ৩৭টি ফ্লাইট পরিচালনা করলেও ভারতের কলকাতা ও দিল্লি রুটে বিমান বাংলাদেশ, কলকাতা ও চেন্নাই রুটে ইউএস বাংলা, কলকাতা রুটে নভোএয়ারের সেসব ফ্লাইট বন্ধ হচ্ছে আজ থেকে।

বিমানের উপ-মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) তাহেরা খন্দকার বলেন, কলকাতায় প্রতিদিন দুটি করে ফ্লাইট রয়েছে। দিল্লিতেও প্রতিদিন একটি। তবে করোনা ভাইরাসের কারণে গত কয়েকদিন ধরে ঢাকা-দিল্লি রুটে প্রতি সপ্তাহে তিনটি করে ফ্লাইট চালানো হচ্ছিল। ভারত সরকারের নিষেধাজ্ঞার কারণে আজ সন্ধ্যার পর বিমানের আর কোনো ফ্লাইট সেখানে যাবে না।

নভোএয়ারের সিনিয়র ম্যানেজার (মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস) এ কে এম মাহফুজুল আলম বলেন, আজ সন্ধ্যায় নভোএয়ারের একটি ফ্লাইট যাত্রী ছাড়াই কলকাতায় যাবে। সেখান থেকে ফিরতি যাত্রীদের আনা হবে। তবে ১৪ মার্চ থেকে তাদের কলকাতা ফ্লাইট পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে।

ঢাকা থেকে চেন্নাই ও কলকাতায় প্রতি সপ্তাহে ১৩টি ফ্লাইট রয়েছে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের। তবে ১৫ মার্চ পর্যন্ত ঢাকা-চেন্নাই রুটে এবং ১৬ মার্চ পর্যন্ত ঢাকা-কলকাতা রুটে কেবল ফিরতি যাত্রীদের আনতে ফ্লাইট চালাবে তারা।

ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) কামরুল ইসলাম বলেন, আজ থেকে ভারতীয় ছাড়া অন্য কোনো দেশের যাত্রীদের কলকাতা ও চেন্নাইয়ে নেয়া হবে না। এরপর থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ইউএস বাংলার ভারতের সব ফ্লাইট বন্ধ থাকবে।

অন্যদিকে সাম্প্রতিককালে ইউরোপ ভ্রমণ করেছেন এমন বিদেশি নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের দেয়া নতুন নিষেধাজ্ঞায় বিশ্বব্যাপী এয়ারলাইন্স ব্যবসা মুখথুবড়ে পড়তে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন।

করোনা ভাইরাইসের কারণে এমনিতেই চাপে থাকা ইউরোপের এয়ারলাইন্সগুলো যুক্তরাষ্ট্রের নতুন এ নিষেধাজ্ঞায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়বে বলেও আশঙ্কা তাদের।

যুক্তরাজ্য ছাড়া ইউরোপের সব দেশের নাগরিক ও দেশগুলো ভ্রমণ করে আসা বিদেশিদের ওপর আজ মধ্যরাত থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন এ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে চীনের ওপরও একই ধরনের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। প্রাণঘাতী এ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ইউরোপজুড়ে ছড়িয়ে পড়ায় নিষেধাজ্ঞায় আটলান্টিকের ওপারের মহাদেশটিকেও যুক্ত করলো যুক্তরাষ্ট্র।

শিল্প খাত বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন এ নিষেধাজ্ঞায় তাৎক্ষণিকভাবে ইউরোপের কয়েক ডজন বিমানবন্দরে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার আগে অনেকের শেষ মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা এমন পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে বলে অনুমান তাদের।

বুধবার ঘোষিত নতুন এ পদক্ষেপের পরও ইউরোপ থেকে যাওয়া বিমানগুলো বিস্তৃত পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা রাখা যুক্তরাষ্ট্রের স্বল্প সংখ্যক বিমানবন্দরগুলোতে নামতে পারবে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক, স্থায়ী বাসিন্দা এবং তাদের ঘনিষ্ঠ আত্মীয়-স্বজন ছাড়া অন্যরা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন না বলে জানিয়েছে রয়টার্স। এ সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় বিমানবন্দরগুলো ও পর্যটন খাতকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে বলেও বলছেন পর্যবেক্ষকরা।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্র ‘সংকটকালীন মুহূর্তে’ প্রবেশ করায় ইউরোপের ওপর এ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি প্রয়োজন হয়ে পড়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রে এরই মধ্যে প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজার ২৮১ জনে পৌঁছেছে। মৃত্যু হয়েছে ৩৮ জনের।

‘চীনের বিরুদ্ধে আগাম পদক্ষেপ নিয়ে আমরা প্রাণ-রক্ষাকারী ব্যবস্থা নিয়েছিলাম। এখন ইউরোপের বিরুদ্ধেও আমাদের একই ধরনের পদক্ষেপ নিতে হবে। আমরা দেরি করতে পারবো না,’ জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে ট্রাম্প এমনটাই বলেছেন।

পরে টুইটারে দেয়া ব্যাখ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জানান, তাদের নতুন এ নিষেধাজ্ঞা কেবল ইউরোপ থেকে আসা মানুষের ওপরই আরোপ করা হয়েছে, পণ্যের ওপর নয়।

ইউরোপে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের এয়ারলাইন্সগুলো ইতালিতে তাদের ফ্লাইটসংখ্যায় কাটছাঁট করেছে। নতুন এ নিষেধাজ্ঞার পর তাদের ফ্রান্স ও জার্মানির ফ্লাইটগুলোর চাহিদাও কমতে থাকবে।

তবে নতুন এ নিষেধাজ্ঞা সবচেয়ে বেশি বিপাকে ফেলবে জার্মানির লুফথানসা ও ফ্রান্সের এয়ার ফ্রান্স কেএলএমের মতো প্রভাবশালী এয়ারলাইন্সগুলোকে। ইউরোপের মূল ভূখণ্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার ফ্লাইটের বাজারে আধিপত্য বিস্তার করে আসা এ দুটো ক্যারিয়ারের কয়েক ডজন উড়োজাহাজকে ‘গ্রাউন্ডেড’ রাখতে হচ্ছে বলেও বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন।

ইউরোপের ফ্লাইটগুলোর ওপর এ নিষেধাজ্ঞা মূলত বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলোকে শেষ করে দেবে— বলেছেন বয়েড গ্রুপ ইন্টারন্যাশনালের এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ মাইক বয়েড। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত দেশ ও তাদের এয়ারলাইন্সগুলো চীনা নাগরিকদের প্রবেশাধিকারে প্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ না দেয়ায় করোনা ভাইরাস ইউরোপে বিস্তৃত হওয়ার সুযোগ পেয়েছে বলেও অনুমান তার।

‘আমাদের অবশ্যই দরজা বন্ধ করতে হবে। এটা কোনো মহড়া নয়। ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব বাস্তব ও অভূতপূর্ব। এটা সে ধরনের কঠোর সিদ্ধান্ত, যা যুক্তরাষ্ট্রকে নিতেই হতো।

ভাইরাসের বিস্তার কমিয়ে আনতে ইইউ আগ্রাসী পদক্ষেপ নেয়নি,’ বলেছেন বয়েড। যুক্তরাষ্ট্রের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা ও তার প্রভাব নিয়ে রয়টার্স তাৎক্ষণিকভাবে লুফথানসা ও এয়ার ফ্রান্স কেএলএমের মন্তব্য চাইলেও তাদের সাড়া মেলেনি।

এদিকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া মরণঘাতী করোনা ভাইরাসের কারণে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের দেশসহ ৩৯ দেশের নাগরিকদের ওপর অস্থায়ী ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সৌদি আরব। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের লাগাম টেনে ধরতেই এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

দেশটির সংবাদমাধ্যম আল আরাবিয়ার সূত্র মতে, নিষেধাজ্ঞার তালিকায় ইউরোপীয় দেশসহ আরও রয়েছে- সুইজারল্যান্ড, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন, সুদান, ইথিওপিয়া, দক্ষিণ সুদান, ইরিত্রিয়া, কেনিয়া, জিবুতি ও সোমালিয়া। এসব দেশের নাগরিকরা সৌদি আরবে আসতে পারবেন না।

এছাড়া জর্ডান সীমান্তের স্থলচৌকি দিয়েও আসা-যাওয়া বন্ধ রেখেছে সৌদি আরব। যদিও বাণিজ্যিক ও কার্গো চলাচল অব্যাহত থাকবে।
তবে ভ্রমণ স্থগিতকরণ বাতিলের সিদ্ধান্ত কার্যকর করার আগে এসব দেশে বসবাস করা সৌদি নাগরিকরা নিজ দেশে প্রবেশ করতে পারবেন।

গত ৯ মার্চ ওমান, ফ্রান্স, জার্মানি, তুর্কি, স্পেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, বাহরাইন, লেবানন, সিরিয়া, ইরাক, মিসর, ইতালি ও দক্ষিণ কোরিয়ার ওপর ভ্রমণ মুলতবি আরোপ করা হয়েছিল।

ওইসব দেশ থেকে আগমনকারী ও যারা সেখানে ছিলো তাদের অন্তত ১৪ দিনের ভেতরে সৌদি আরবে প্রবেশের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত থেকে বাদ যায়নি শ্রীলঙ্কাও। করোনা ভাইরাস ঠেকাতে বাংলাদেশসহ গোটা বিশ্বের জন্য ভিসা স্থগিত করেছে দেশটি।

পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত আর কাউকে ভিসা দেয়া হবে না বলেও জানানো হয়েছে। করোনা ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতেই শ্রীলঙ্কা সরকার বিদেশিদের ভিসা বন্ধের এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার দূতাবাসের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত সবাইকে জানিয়ে দেয়া হয়। এছাড়া করোনা ভাইরাস রোগী পাওয়ার পর মালদ্বীপের সিভিল এভিয়েশন বাংলাদেশ থেকে যাত্রী পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। আগামী ২৪ মার্চ পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে বলে জানিয়েছে সে দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন।

এর আগে করোনার প্রভাবে আগামী তিন মাসের জন্য সব ধরনের ফ্লাইট সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্স। কাঙ্ক্ষিত যাত্রী না পাওয়া এবং করোনা ঝুঁকির বিষয়টি উল্লেখ করা হয় ওই ঘোষণায়।

গোটা বিশ্বেই করোনা ভাইরাস প্রতিদিন বাড়তে থাকায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ বিমান পরিবহন খাত বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পতিত হচ্ছে এবং অন্যান্য খাতগুলোও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

এই অবস্থা কার্যত অচল করে দিচ্ছে গোটা বিশ্বকেই। এই অবস্থা চলতে থাকলে অনেক ব্যবসায়ী কিংবা প্রতিষ্ঠানকেই আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থা থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নিতে হতে পারে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

আমারসংবাদ/এসটিএমএ