মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

১৪ আশ্বিন ১৪২৭

ই-পেপার

নিজস্ব প্রতিবেদক

সেপ্টেম্বর ১৭,২০২০, ১২:১২

সেপ্টেম্বর ১৭,২০২০, ১২:১২

মহালয়া আজ, দেবীপক্ষের শুরু

বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গোৎসবের পুণ্যলগ্ন, শুভ মহালয়া আজ বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর)।

এ দিন থেকেই শুরু দেবীপক্ষের। শ্রীশ্রী চণ্ডীপাঠের মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গার আবাহনই মহালয়া হিসেবে পরিচিত।

এই ‘চণ্ডী’তেই আছে দেবী দুর্গার সৃষ্টির বর্ণনা এবং দেবীর প্রশস্তি। দুর্গাপূজার একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ মহালয়া।

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে এবার ভিন্ন আবহে দেবীপক্ষের সূচনা হলো। মহামারির দুর্যোগ মাথায় নিয়েই এবার হবে মাতৃবন্দনা।

পুরাণমতে, মহালয়ার দিনে দেবী দুর্গার আবির্ভাব ঘটে। এ দিন থেকেই দুর্গাপূজার দিন গণনা শুরু হয়। মহালয়া থেকে দুর্গাপূজার আগমন ধ্বনি শুনতে পাওয়া গেলেও এবার ছয় দিন পর দুর্গাপূজা হবে না।

আশ্বিন মাস মল–মাস হওয়ার কারণে এবার দুর্গাপূজা শুরু হবে এক মাসের বেশি সময় পর ২২ অক্টোবর থেকে।

আজ সকাল ছয়টায় রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে মহালয়ার বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে বলে গণমাধ্যমকে জানান মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি শৈলেন্দ্র নাথ মজুমদার।

উল্লেখ্য, মহিষাসুরমর্দিনী দেবী দূর্গা সমস্ত অশুভ শক্তি বিনাশের প্রতীক রূপে পূজিত। মহামায়া অসীম শক্তির উৎস।

পুরাণ মতে, মহালয়ার দিনে, দেবী দুর্গা মহিষাসুর বধের দায়িত্ব পান। শিবের বর অনুযায়ী কোনও মানুষ বা দেবতা কখনও মহিষাসুরকে হত্যা করতে পারবে না। ফলত অসীম হ্মমতাশালী মহিষাসুর দেবতাদের স্বর্গ থেকে বিতারিত করে এবং বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের অধীশ্বর হতে চায়।

মহালয়ার আর একটি দিক হচ্ছে এই মহালয়া তিথিতে যারা পিতৃ-মাতৃহীন তারা তাদের পূর্বপূরুষের স্মরণ করে তাদের আত্মার শান্তি কামনা করে অঞ্জলি প্রদান করেন।

সনাতন ধর্ম অনুসারে এই দিনে প্রয়াত আত্মাদের মর্ত্যে পাঠিয়ে দেয়া হয়। প্রয়াত আত্মার যে সমাবেশ হয় তাকে মহালয়া বলা হয়। মহালয় থেকে মহালয়া। পিতৃপক্ষেরও শেষদিন এটি।

আমারসংবাদ/এআই