সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০

৬ আশ্বিন ১৪২৭

ই-পেপার

নিজস্ব প্রতিবেদক

অক্টোবর ১০,২০১৯, ০৩:৪০

জানুয়ারি ০৪,২০২০, ১০:৪০

আবরার হত্যাকাণ্ড

মনিরুল বলছেন অমিত জড়িত, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর না

বৃহস্পতবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১১টায় রাজধানীর সবুজবাগ এলাকা থেকে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় আলোচিত ছাত্রলীগ নেতা অমিত সাহাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ৬ অক্টোবর রাতে আবরারকে যে কক্ষে অর্থ্যাৎ ২০১১ নং কক্ষে নির্যাতন চালানো হয়েছিলো, সেই কক্ষটিতে থাকতেন অমিত সাহা।

অমিত সাহাকে গ্রেপ্তারের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলামের বক্তব্য ভিন্নভাবে গণমাধ্যমে এসেছে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত সাহার বিষয়ে বলেন, এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় অমিতের জড়িত থাকার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। তারপরও তাকে আটক করা হয়েছে। সরকার চায় না কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি শাস্তি পাক। তবে কোনো নেতা কিংবা দল নয়, এখানে অপরাধই মুখ্য। অপরাধ যার প্রমাণিত হবে, তাকে শাস্তি পেতেই হবে।

এদিকে, বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক ব্রিফিংয়ে মনিরুল ইসলাম বলেন, আবরার হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকায় অমিত সাহাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অমিতের পাশাপাশি আবরারের সহপাঠী মিজানুর এবং আরাফাতেরও এই হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। এ কারণেই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের পর বুয়েট ক্যাম্পাসে আলোচনার শীর্ষে আছেন অমিত সাহা। সব ছাত্রছাত্রীর মুখে তার নাম। বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের উপ-আইনবিষয়ক সম্পাদক তিনি। আবরার হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই পলাতক ছিলেন তিনি। তার কক্ষেই ডেকে নিয়ে প্রথমে পেটানো হয়েছিল। অমিতের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনা সদরের ঠাকুরাকোনা ইউনিয়নের ঠাকুরাকোনা বাজারের স্বাস্থ্য ক্লিনিকের পাশে।অমিতের মা দেবী রানী সাহা ও বাবা রঞ্জিত সাহা। অমিতের বাবা একজন ধানের আড়তদার। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি ব্যবসা করেন।

<iframe src="//www.youtube.com/embed/RIVYfyghLr8" width="600" height="400"></iframe>

এমএআই