মঙ্গলবার ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০

১২ ফাল্গুন ১৪২৬

ই-পেপার

নিজস্ব প্রতিবেদক

ফেব্রুয়ারি ১৪,২০২০, ১২:৪৮

ফেব্রুয়ারি ১৪,২০২০, ১২:৫০

৫ আসনের উপনির্বাচন: শূন্য পদে আলোচনায় যারা

সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেই হবেন স্থানীয় রাজনীতির ত্রাণকর্তা। পুরো নির্বাচনি এলাকায় করবেন ক্ষমতার রাজত্ব। তাই প্রথম টার্গেট দলীয় মনোনয়ন। ধারণা যে-কোনোভাবে দলীয় মনোনয়ন বাগিয়ে নিতে পারলেই ভোটের মাঠে বিজয় সুনিশ্চিত।

এমন ধারণা থেকেই আসন্ন ঢাকা-১০, বগুড়া-১, যশোর-৬, গাইবান্ধা-৩, বাগেরহাট-৪ আসনের উপনির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির শতমুখ দলীয় মনোনয়ন পেতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন।

ঢাকা-১০: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়ার পর গত ২৯ ডিসেম্বর ঢাকা-১০ আসনের সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেন ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। এরপর এ আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। এই আসনে উপ-নির্বাচনের জন্য আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম কিনলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) সাবেক মেয়র সাঈদ খোকন।

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে নৌকার টিকিট শেষ পর্যন্ত আবারো বঙ্গবন্ধু পরিবারের কেউ পাবেন, নাকি অন্য কাউকে দেয়া হবে- তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
এছাড়া এই আসনে আলোচনায় রয়েছেন- বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি। বঙ্গবন্ধুর এই দৌহিত্র আওয়ামী লীগের গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিআরআইয়ে সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছেন।

এই আসনে বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যদের বাইরে আরও কয়েকজন পরিচিত মুখের নাম শোনা যাচ্ছে। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সাবেক সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন ও ক্রিকেট তারকা সাকিব আল হাসান।

২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১০ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান। তবে, এবার এই আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মনোনয়নে পরিবর্তন হচ্ছে।

দলটির বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, আবদুল মান্নান বার্ধক্যজনিত রোগে আক্রান্ত। তিনি ঠিকমতো হাঁটাচলাও করতে পারেন না। তাই উপনির্বাচনে তাকে প্রার্থী করা হবে না।

জানা গেছে, ঢাকা-১০ আসন উপনির্বাচনে বিএনপি থেকে প্রার্থী হতে চান দলটির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ধানামন্ডি থানা বিএনপির সভাপতি শেখ রবিউল আলম ও আবদুল মান্নানের মেয়ের জামাই দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন আহমেদ অসীম।

এর মধ্যে শেখ রবিউল একাদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়নও পেয়েছিলেন। কিন্তু নির্বাচনের আগে তিনি গ্রেপ্তার হওয়ার তাকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হয়নি।

অন্যদিকে ব্যারিস্টার অসীম দীর্ঘদিন বিদেশে রয়েছেন। তবে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে অসীমের ভালো সম্পর্ক রয়েছে বলেও দলীয় সূত্র দাবি করে।

গাইবান্ধা-৩: গত ২৭ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ইউনুস আলী সরকার মারা গেলে গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্যাপুর) আসন শূন্য হয়। উপনির্বাচনে মনোনয়ন পাওয়ার চেষ্টা করছেন আওয়ামী লীগের দুই ডজনের বেশি প্রার্থী।

আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন- কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংরক্ষিত আসনের এমপি উম্মে কুলসুম স্মৃতি, গাইবান্ধা জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মাজেদার রহমান দুলু, প্রচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট জারিদুল হক, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ডা. মাহাবুব আলম, পলাশবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু বকর প্রধান, সাধারণ সম্পাদক সামিকুল ইসলাম লিপন।

এছাড়া জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ কে এম মোকছেদ চৌধুরী বিদ্যুৎ, সাংগঠনিক সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম মণ্ডল, সাবেক সহসভাপতি ফজলুল করিম, সাদুল্যাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সাহারিয়ার খান বিপ্লব, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক ও গাইবান্ধা জেলা পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ এমএস রহমান।

এছাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি তোফাজ্জল হোসেন সরকার, আওয়ামী লীগ নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হক, সদ্যপ্রয়াত এমপি ইউনুস আলী সরকারের বড় ছেলে ড. ফয়সাল ইউনুস, জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের উপদেষ্টা ও ঢাকা সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ডা. শাহ মো. ইয়াকুব উল আজাদ, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও দড়ি জামালপুর রোকেয়া সামাদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আজিজার রহমান খান বিএসসি।

এছাড়া ওমর ফারুক, শিল্পপতি মফিজুল হক সরকার, গোপাল চন্দ্র বর্মণ, সাদুল্যাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এমএ ওয়াহেদ মিয়া, সাদুল্যাপুর উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রেহেনা বেগম, পলাশবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মরহুম খন্দকার মতলুবর রহমান নান্নুর মেয়ে খন্দকার তামান্না শারমিন প্রমুখ।

এই আসনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জোটের শরিক জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ড. টিআই ফজলে রাব্বিকে ধানের শীষের মনোনয়ন দেয়া হয়। নির্বাচনের কয়েক দিন আগে তিনি মারা যাওয়ায় আসনটির নির্বাচন স্থগিত করা হয়। পরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপিসহ ২০ দলীয় জোট অংশ না নেওয়ায় আওয়ামী লীগের ডা. ইউনূস আলী সরকার নির্বাচিত হন। তার মৃত্যুতে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়।

এবারের নির্বাচনে এখানে জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) কোনো প্রার্থী নেই। তিন মাস আগে ড. টিআই ফজলে রাব্বির ছেলে মাইনুল রাব্বি রুমন জাতীয় পার্টিতে (এরশাদ) যোগ দিয়েছেন। তিনি মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে এ আসনে প্রার্থী হতে চান।

বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এ আসনে আলোচনায় রয়েছেন-জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মইনুল হাসান সাদিক, উপদেষ্টা রফিকুল ইসলাম রফিক, সদস্য ড. মিজানুর রহমান মাসুম এবং সাদুল্যাপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শফিউল ইসলাম স্বপন।

গাইবান্ধা জেলা আ.লীগের সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ শামসুল আলম হিরু আমার সংবাদকে বলেন, গাইবান্ধা-৩ আসনে উপনির্বাচনের জন্য আ.লীগের সকল নেতাকর্মী প্রস্তুত আছে। আমাদের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৎ, যোগ্য ও পরিশ্রমী নেতাকে দলীয় মনোনয়ন দেবেন। নেত্রী যাকে মনোনয়ন দিবেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে তার জন্য কাজ করবেন। নৌকার বিজয় নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।

বাগেরহাট-৪: বাগেরহাট-৪ (মোড়েলগঞ্জ-শরণখোলা) আসনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন পেয়েছিলেন জোটের শরীক জামায়াত নেতা আব্দুল আলীম। এবার যেহেতু জামায়াত নির্বাচনে অংশ নেবে না তাই বিএনপির দলীয় প্রার্থী থাকবে।

এই আসনের স্থায়ী বাসিন্দা বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ঢাবি শিক্ষক ওবায়েদুল ইসলাম নির্বাচন করতে চাইলেও আইনের কারণে করতে পারবেন না। সেক্ষেত্রে তাঁতী দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-আহবায়ক ও বাগেরহাট জেলা বিএনপির সাবেক উপদেষ্টা ড. কাজী মনিরুজ্জামান মনির মনোনয়ন পেতে চান।

তিনি বলেন, বাগেরহাট-৪ আসনে নির্বাচন করার মতো মানসিকতা আমারই আছে। এছাড়া আর যারা প্রার্থী আছেন তারা সত্যিকারের নির্বাচন করবেন কি না সন্দেহ আছে। আমাকে মনোনয়ন দিলে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদি।

এই আসনে অন্য যাদের নাম আছে তারা হলেন, কাজী খায়রুজ্জামান শিপন ও অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান।

গত ১০ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য ডা. মোজ্জাম্মেল হোসেনের মৃত্যুতে আসনটি শূন্য হয়।

ক্ষমতাসীন দলের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন-আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ও মোরেলগঞ্জ উপজেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট আমিরুল আলম মিলন, ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি এএইচএম বদিউজ্জামান সোহাগ, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি অধ্যাপক আবদুর রহিম খান, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক মিজানুর রহমান জনি, বাগেরহাট জেলা কমিটির সাবেক সহসভাপতি ড. আবদুর রহিম খান, মোরেলগঞ্জ উপজেলা কমিটির সদস্য প্রবীর রঞ্জন হালদার প্রমুখ।

যশোর-৬: গত ২১ জানুয়ারি যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনের সংসদ সদস্য ইসমাত আরা সাদেকের মৃত্যুতে আসনটি শূন্য হয়। যশোর-৬ আসনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছিলেন আবুল হোসেন আজাদ ও বগুড়া-১ আসনে কাজী রফিকুল ইসলাম। এবারও তাদের মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে যশোর-৬ আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা অমলেন্দু দাস অপুও মনোনয়ন দৌঁড়ে আছেন।

এবারের উপনির্বাচনে এ আসনে প্রখ্যাত চিত্রনায়িকা শাবানার স্বামী ওয়াহিদ সাদিক দলীয় মনোনয়ন পেতে তৎপরতা শুরু করায় আলোচনার ঝড় বইছে। ওয়াহিদ সাদিক প্রয়াত এমপি ইসমাত আরা সাদেকের চাচাতো দেবর।

সম্প্রতি সংবাদ সম্মেলন করে উপনির্বাচনে নিজের প্রার্থিতা ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ওয়াহিদ সাদিক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে উপনির্বাচনে অংশ নিতে বলেছেন। এলাকার উন্নয়নের জন্য কাজ করতেই প্রার্থী হতে চান তিনি। দলীয় মনোনয়ন পেলে যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্ট ফিরিয়ে দিয়ে তিনি ঢাকায় চলে আসবেন এবং প্রতি সপ্তাহেই কেশবপুরে যাবেন। যুক্তরাষ্ট্র থেকে আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্যপদ নিয়েছেন।

এদিকে প্রয়াত ইসমাত আরা সাদেকের মেয়ে নওরীন সাদেকও সংবাদ সম্মেলন করে উপনির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এছাড়া যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন চাকলাদার, কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যান এইচএম আমির হোসেন, কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও জীবন বীমা করপোরেশনের পরিচালক শেখ রফিক আলম এবং সাংবাদিক শ্যামল সরকার এই আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে তৎপর।

বগুড়া-১: ১৮ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত টানা তিনবারের এমপি আবদুল মান্নান মারা গেলে বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসন শূন্য হয়।
উপনির্বাচনে আবদুল মান্নানের স্ত্রী ও সারিয়াকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহদারা মান্নানের নাম জোরালো আলোচনায় রয়েছে। তাদের একমাত্র ছেলে মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন সজল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন। উপনির্বাচনে তাকেও প্রার্থী হিসেবে ভাবছেন অনেকে।

এছাড়া ক্ষমতাসীন দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে আরও আলোচনায় রয়েছেন-যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ও আবদুল মান্নানের ভায়রা সিদ্দিকুর রহমান, সারিয়াকান্দি পৌরসভার মেয়র আলমগীর শাহী সুমন এবং আওয়ামী লীগ নেতা এসএম মোজাহেদুল ইসলাম বিপ্লব।

গত নির্বাচনে এই আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন-সাবেক এমপি কাজী রফিকুল ইসলাম। এবারও মনোনয়ন চান তিনি। এ ছাড়া জিয়া শিশু-কিশোর সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন চৌধুরী এবং সোনাতলা উপজেলা বিএনপির সভাপতি একেএম আহসানুল তৈয়ব জাকিরও ধানের শীষের মনোনয়নপ্রত্যাশী।

উল্লেখ্য, আগামী মার্চ মাসের ২১ তারিখে গাইবান্ধা-৩, বাগেরহাট-৪ ও ঢাকা-১০ আসনের উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। আসনগুলোর মনোনয়ন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি, যাচাই-বাছাই ২৩ ফেব্রুয়ারি, আপিল দায়ের ২৪-২৬ ফেব্রুয়ারি, আপিল নিষ্পত্তি ২৮ ফেব্রুয়ারি, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার ২৯ ফেব্রুয়ারি এবং সর্বশেষ ১ মার্চ প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে। তিনটি আসনের উপ-নির্বাচনের মধ্যে কেবল ঢাকা-১০ আসনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট হবে।

আমারসংবাদ/এমএআই