রবিবার ২৫ অক্টোবর ২০২০

১০ কার্তিক ১৪২৭

ই-পেপার

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

প্রিন্ট সংস্করণ

অক্টোবর ১৮,২০২০, ০১:৪৩

অক্টোবর ১৮,২০২০, ০১:৪৩

বিপদগ্রস্ত মিলিকে মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিলেন পুলিশ সুপার

৮ম শ্রেণিপড়ুয়া মরিয়ম আক্তার মিলি (১৪) গত ১০ অক্টোরব বিকাল সাড়ে ৫টায় বান্ধবীর বাড়ি যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়। রাত ঘনিয়ে আসা সত্ত্বেও মিলি বাড়িতে ফিরে না এলে তার মা মোছা. ফাতেমা খাতুন (৪০), স্বামী মো. মিলন হোসেন সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করে না পেয়ে বিচলিত হয়ে পড়েন।

স্থানীয় জনগণের পরামর্শে ফাতেমা খাতুন গত রোববার দামুড়হুদা থানায় তার মেয়েকে খুঁজে পাচ্ছেন না মর্মে একটি সাধারণ ডাইরি করেন। চুায়াডাঙ্গার  পুলিশ সুপার মো. জাহিদুল ইসলামের নির্দেশে ও দিকনির্দেশনায় দামুড়হুদা থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মো. আব্দুল বাকী সাধারণ ডাইরি তদন্ত শুরু করেন।

তদন্তকালে একটি অজ্ঞাত মোবাইল কললিস্টের সূত্র ধরে তদন্তকারী দল বিপদগ্রস্ত ও অপরিণত মিলি (১৪)-কে টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর থানার করিহাটা গ্রাম থেকে উদ্ধার করতে সক্ষম হন।

জানা যায়, সে অজ্ঞাত ফোনে কথা বলার সূত্রে প্রেমে পড়ে বাড়ি ছাড়েন। ভিকটিমকে উদ্ধার করে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিলে তিনি খুশিতে     
আবেগ আপ্লুত হয়ে মেয়েকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন। ভিকটিমের মা ফাতেমা খাতুন পুলিশ সুপার ও দামুড়হুদা থানার উদ্ধারকারী টিমকে ধন্যবাদ জানান।

বিপদগ্রস্ত এবং অপরিণত বয়স্ক ভিকটিমকে উদ্ধার করে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিয়ে দক্ষতার সাথে পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি পুলিশের সুনাম বৃদ্ধি করায় পুলিশ সুপার মো. জাহিদুল ইসলাম তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. আব্দুল বাকীকে অভিন্দন জানান।

এসময় পুলিশ সুপার চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের সব সদস্যকে পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি দু-একজন পুলিশ সদস্যের অপকর্মের কারণে পুলিশের সব ভালো কাজ যেন প্রশ্নের সম্মুখীন না হয় সে বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশনা প্রদান করেন।

আমারসংবাদ/এআই