সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

১৩ আশ্বিন ১৪২৭

ই-পেপার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রিন্ট সংস্করণ

আগস্ট ১৩,২০২০, ০১:০৮

আগস্ট ১৩,২০২০, ০১:০৮

‘জিয়া বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন’

জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন। এর ধারাবাহিকতায় খালেদা জিয়াও তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে গেছেন। তারা বাংলাদেশ থেকে জাতির পিতার নাম মুছে ফেলতে চেয়েছিল। কিন্তু বিশ্বে বাংলাদেশের নাম যতদিন থাকবে, বঙ্গবন্ধুর নামও ততদিন থাকবে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ, মানচিত্র, লাল-সবুজ পতাকা ও বঙ্গবন্ধুর নাম অবিচ্ছেদ্য।

গতকাল বুধবার মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার গোয়ালগাঁও, ইসমানীরচর, নয়ানগর নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শন ও মন্ত্রণালয় ঘোষিত ১০ লাখ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ফুলদী খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম উদ্বোধন শেষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যকালে পানিসম্পদ উপমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম এসব কথা বলেন।

এনামুল হক শামীম বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর নানা অপকৌশলে ক্ষমতায় আসে জিয়াউর রহমান। উত্থান ঘটে পাকিস্তানবাদের। তার পৃষ্ঠপোষকতায় বঙ্গবন্ধুর খুনি ও যুদ্ধাপরাধীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে পুনর্বাসিত করা হয়। পুনরায় স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াতে ইসলামীকে রাজনীতি করার অধিকার ফিরিয়ে দেয়া হয়।

আর এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের পরোক্ষ মদদদাতা ছিলেন ক্ষমতার লোভে অন্ধ উচ্চাভিলাষী, মীরজাফর জিয়াউর রহমান। আর তার স্ত্রী খালেদা জিয়া যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রী বানিয়েছেন। বাংলার মাটিতে বঙ্গবন্ধুর পলাতক সব খুনির বিচার কার্যকর হবে ইনশাআল্লাহ।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা যায় না, বঙ্গবন্ধু এদেশের মানুষের হূদয়ে অমর হয়ে আছেন। বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ এক এবং অভিন্ন। এদেশে জিয়াউর রহমান ও তার দুর্নীতি পরিবারকে কখনোই ক্ষমা করবে না। এ কারণেই বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণের রায় নিয়ে চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। তার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।

বাঁধরক্ষার প্রকল্পের কথা উল্লেখ করে উপমন্ত্রী শামীম আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় নদীভাঙন রক্ষায় পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় সর্বাত্মকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। করোনার মধ্যেও চিহ্নিত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় এপ্রিল থেকে বাঁধ নির্মাণকাজ অব্যাহত রেখেছি। মুন্সিগঞ্জে পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রায় ৪৩৪ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ চলমান আছে।

পর্যায়ক্রমে এই এলাকাও স্থায়ী বেড়িবাঁধ প্রকল্পের আওতায় আনা হবে। এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাড. মৃণাল কান্তি দাস, জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার, পুলিশ সুপার আব্দুল মোমেন (পিপিএম), প্রধান প্রকৌশলী (বাপাউবো) আব্দুল মতিন সরকার, নির্বাহী প্রকৌশলী টি এম রাশেদুল কবির, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আমারসংবাদ/এসটি