রবিবার ১২ জুলাই ২০২০

২৮ আষাঢ় ১৪২৭

ই-পেপার

আমার সংবাদ ডেস্ক

জুন ২৮,২০২০, ০৩:৫১

জুন ২৮,২০২০, ০৩:৫১

প্রিয়জন মরলেই কাটতে হয় আঙুল!

 

পৃথিবীর একেক দেশের মানুষ একেক রকম। এক অঞ্চলের মানুষের সাথে অন্য অঞ্চলের মানুষের জাতি-ধর্ম-বর্ণ-গোত্রে-জীবনাচারের পার্থক্য রয়েছে। তবে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে বাস করা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনধারা একটু বেশিই ব্যতিক্রমী।

ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম পাপুয়ায় বাস করে কতিকা। ক্ষুদ্র এই নৃ-গোষ্ঠীর নারীরা শোক প্রকাশের জন্য হাতের আঙুল কেটে ফেলে।

সাধারণত মানুষের আত্মীয়-স্বজন মারা গেলে কেদে বুক ভাসায়। শোক প্রকাশ করে সামাজিক বা ধর্মীয় অনুষ্ঠান হয়। দীর্ঘদিন এ কারণে মন খারাপ থাকে। তারপর এক সময় শোক কাটিয়ে উঠে। কিন্তু কতিকা নারীরা নিকটজন মারা গেলে ভিন্ন কিছু করেন। তারা হাতের আঙুলের অগ্রভাগ কেটে ফেলেন! যত বার কোনো প্রিয়জন মারা যায় ততবার তারা সানন্দে এই কাজটি করেন। বিষয়টিকে তারা শোকের বহিঃপ্রকাশ হিসেবেই দেখেন তা নয়, এর মাধ্যমে মৃত ব্যক্তিকে সম্মানও জানানো হয়।

মজার ব্যাপার হলো, মৃত্যের জন্য কতিকা নারীরা এক ফোটা চোখের পানিও ফেলেন না। পুরুষরাও তাই। তাদের অবশ্য আঙুল কাটতে হয় না। যুগযুগ ধরে এই গোত্রের নারীরা এই প্রথা মেনে আসছেন। যদিও দেশটির সরকার আইন করে এই প্রথা নিষিদ্ধ করেছে। কিন্তু সেই আইন মানছে কে! কতিকারা কোনোভাবেই এই আইন মানতে রাজী নন। কারণ বিষয়টির ওপর মৃত ব্যক্তির পরকালের শান্তিও যে নির্ভর করে!

আমারসংবাদ/জেআই