সোমবার ২৫ মে ২০২০

১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

ই-পেপার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মে ১৮,২০২০, ০৯:০৮

মে ১৮,২০২০, ০৯:১০

কেন ‘আম্ফানকে’ নিয়ে ভয়?

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় আম্ফান সোমবার দিনের প্রথম ভাগেই সর্বোচ্চ তীব্রতার একটি সুপার সাইক্লোনে পরিণত হয়েছে বলে ভারতের আবহাওয়া বিভাগ এদিন জানিয়েছে।

ভারতের বেসরকারি আবহাওয়া পূর্বাভাস সংস্থা স্কাইমেটের প্রধান মহেশ পালাওয়াট জানাচ্ছেন, এই শতাব্দীতে প্রাক-মনসুন পর্বে বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া এটাই কিন্তু প্রথম সুপার সাইক্লোন।

এর আগে ২০০৭ সালের জুনে আরব সাগরে সুপার সাইক্লোন গোনু তৈরি হয়েছিল – যেটা পরে ওমানের দিকে সরে যায়।

আম্ফান এর মধ্যেই ঘন্টায় দেড়শো কিলোমিটারেরও বেশি গতিবেগসম্পন্ন ঝোড়ো বাতাস সঙ্গে প্যাক করে নিয়েছে।

মাত্র চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে এটা একটা ঘূর্ণিঝড় থেকে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে, সেটাও একটা রেকর্ড।

উপকূলের কাছাকাছি এলে এই ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা সামান্য কমবে, তবে তার পরেও এর বিধ্বংসী ক্ষমতাকে খাটো করে দেখার কোনও সুযোগ নেই – জানাচ্ছেন মি পালাওয়াট।

তিনি বলছিলেন, স্থলভূমি থেকে শুকনো বাতাস এসে সিস্টেমটাকে কিছুটা দুর্বল করে দেয় – এই আম্ফানের ক্ষেত্রেও সেটাই ঘটবে।

কিন্তু তার পরেও এটা একটা প্রচন্ড সাঙ্ঘাতিক ঘূর্ণিঝড় – যার তান্ডব আর ক্ষয়ক্ষতি সাধনের ক্ষমতা মারাত্মক। ফলে পুরো উপকূলীয় এলাকা জুড়েই মানুষকে সাবধান থাকতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যেমন সোমবার বিকেলে সুপার সাইক্লোনের মোকাবেলায় উচ্চ পর্যায়ের জরুরি বৈঠকে বসেছেন, পশ্চিমবঙ্গেও রাজ্য সরকার উপকূলীয় এলাকার সাইক্লোন সেন্টারগুলোতে বিপর্যয় মোকাবেলা দল পাঠাতে শুরু করেছে।

তবে পশ্চিমবঙ্গের স্বরাষ্ট্রসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কোভিড-১৯ মহামারির মধ্যে এই দলগুলো ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযান চালাবে সামাজিক দূরত্বে'র শর্ত মেনেই।

আমারসংবাদ/এআই