সোমবার ০১ জুন ২০২০

১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

ই-পেপার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মে ০২,২০২০, ০৫:৪৬

মে ০৩,২০২০, ০৩:১৩

ধেয়ে আসছে করোনার চেয়েও ভয়ংকর রোগ

 

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের আক্রমণে হতবিহ্বল হয়ে পড়েছে গোটা বিশ্ব। তবে এটাই কি শেষ? নাকি মানব সভ্যতার জন্য অপেক্ষা করছে আরও দুঃসংবাদ।

বিজ্ঞানিরা বলছেন, পৃথিবীতে কিছু সুপারভাইরাসের আগমন ঘটছে। যা আমাদের জন্য চরম হতাশার কারণ। করোনার থাবায় সারাবিশ্ব এখন বিধ্বস্ত। আর এই জন্যই মনে হয় বিজ্ঞানিদের টনক নড়েছে।

বিজ্ঞানিরা গবেষণা করে দেখেছেন, করোনার চেয়ে ভয়ংকর ভাইরাস রোগ আমাদের দিকে ধেয়ে আসছে। পৃথিবীর বুকে কিছু সুপারভাইরাসের অস্তিত্ব মিলছে।

আরও বেশি ভালো থাকা এবং বিত্তবান হওয়ার সমাহিন লাভের শিকার হয়ে মানুষ প্রতিনিয়ত নিগড়ে নিচ্ছে পৃথিবীর ঐশ্বর্য ভান্ডার। সেই লাভের বসে মানুষ যেন ভুলেই গেছে কোথায় গিয়ে থামতে হবে তাকে।

মানুষের লোভ লালোসার কারণে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে পৃথিবীর পাহাড়গুলো। মাত্র কয়েকদিন আগেও মানুষের হাতে পুড়েছে পৃথিবীর ফুসফুস আমাজন বন। আর আজ গোটা মানব সভ্যতা পালিয়ে বেড়াচ্ছে ফুসফুসের রোগ করানো ভাইরাসের ভয়ে। লক্ষ লক্ষ মানুষ মরছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে।

এদিকে মেরুঅঞ্চল সহ তুন্দ্রা, সাইবেরিয়া, আলাস্কা ও গ্রীনল্যান্ডের বরফ গলছে। লক্ষ লক্ষ বছর ধরে জমাটবাধা এই বরফগুলোর ভেতর কি এমন আছে, এই নিয়ে বিজ্ঞানিরা করেন গবেষণা। গবেষণা করে বিজ্ঞানিরা অবাক হয়েছেন।

এর ভেতরই লুকিয়ে আছে সুপারভাইরাসের ইতিহাস। এই বরফের ভেতরই জমিয়ে আছে সুপারভাইরাস। এমন ভয়ংকর জীবনু রয়েছে, যা মানবসভ্যতা জীবনে কখনো দেখিনি।

সেইসব জীবানু ভাইরাসগুলোকে মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কখনো রিমোভ করতে পারবে না। এই সকল ভাইরাস আর একটু উষ্ণতা পাওয়ার সাথে সাথেই প্রকৃতিতে ছড়িয়ে পড়বে।

২০১৬ সালে রাশিয়ার সাইবেরিয়া তে হঠাৎ করে একটি ফ্লু দেখা দেয়। পরে জানা যায় এটির নাম অ্যানথ্রাক্স রোগ। প্রায় ৯০ জন আক্রান্ত এবং একটি শিশুর মৃত্যুর ঘটনাকে খুঁজতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেন ৭৫ বছর আগে মারা যাওয়া একটি বলগা হরিণ থেকে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে।

উষ্ণ মাটি বা ফার্ম ফাস্ট বলে ছড়িয়ে পড়েছিল এই অ্যানথ্রাক্স ভাইরাস। এই নিয়ে আরও গবেষণার পর বিজ্ঞানীরা ভয়াবহ তথ্য আবিষ্কার করেন।

গবেষণার ফলাফল নিয়ে একজন বিজ্ঞানী বলেন, আমরা প্রথমবারেই ৩০ হাজার বছরের পুরনো একটি সুপার ভাইরাসকে জাগিয়ে তুলতে সক্ষম হয়েছি। যে ভাইরাস জাগার সাথে সাথেই একটি অ্যামিবা কে আক্রমণ করেছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন তারা জানেন না এই ফার্ম অফ স্ট্রিত রেয়ার কি ধরনের জীবাণু লুকিয়ে আছে। এটা বলা বা অনুভব করা কখনো সম্ভব না।

গবেষকদের ধারণা ঝুঁকি থেকেই গেল। মানব সভ্যতার মুক্তির জন্য আমাদের নিজেদেরকে এখনই সচেতন হতে হবে। করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব কবে শেষ হয় এটা কেউ এখনো জানে না।

আমারসংবাদ/এআই