বৃহস্পতিবার ০৪ জুন ২০২০

২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

ই-পেপার

নিজস্ব প্রতিবেদক

মে ২০,২০২০, ০২:৩২

মে ২০,২০২০, ০২:৩২

ভার্চুয়াল কোর্টে ৬ দিনে ১৪ হাজারের অধিক জামিন

করোনাভাইরাসে বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি কমাতে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালত পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ভার্চুয়াল আদালতের সুফল পেতেও শুরু করেছে সাধারণ জনগন।

স্বাভাবিক আদালতের চেয়ে ভার্চুয়াল আদালতের জামিন প্রদানের হার বেশ সন্তোষজনক। অনলাইন আদালত চালুর পর থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত (ষষ্ঠ দিনে) সারাদেশের আদালতগুলোতে ১৪ হাজার ১০০ আসামির জামিন দেয়া হয়।

এর মধ্যে শুধু মঙ্গলবারই ৪ হাজার ৪২ জন আসামিকে জামিন দিয়েছেন দেশের বিভিন্ন আদালত।

সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র ও স্পেশাল অফিসার ব্যারিস্টার মোহাম্মদ সাইফুর রহমান জানান, ‘মঙ্গলবার (১৯ মে) সারাদেশে ৬ হাজার ৫১৬টি জামিন আবেদনের শুনানি নিয়ে ৪ হাজার ৪২ জন আসামির জামিন মঞ্জুর করেছেন দেশের অধস্তন ভার্চুয়াল আদালত।

ভার্চুয়াল আদালত গঠনের পর থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত ৬ কার্যদিবসে মোট ১৪ হাজার ১০০ আসামি জামিন পেয়েছেন।

সোমবার (১৮ মে) ৩ হাজার ৬৩৩ জন আসামিকেজামিন দেন দেশের বিভিন্ন জেলার ভার্চুয়াল আদালত। এর আগে রোববার (১৭ মে) ৩ হাজার ৪৪৭ জন আসামিকে জামিন দেন দেশের বিভিন্ন জেলার ভার্চুয়াল আদালত।

তারও আগে ১২, ১৩ ও ১৪ মে শুনানি নিয়ে মোট ২ হাজার ৯৭৮ আসামির জামিন দেন ভার্চুয়াল আদালত। এর মধ্যে ১৪ মে ১ হাজার ৮২১ জন আসামিকে, ১৩ মে ১ হাজার ১৩ জন আসামিকে ও ১২ মে ১৪৪ আসামিকে জামিন দেন আদালত।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নির্দেশনায় গত ১০ মে নিম্ন আদালতের ভার্চুয়াল কোর্টে শুধু জামিন শুনানি করতে নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। এ বিষয়ে ওইদিন একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. আলী আকবর।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস সংক্রমণ মোকাবিলা ও এর ব্যাপক বিস্তার রোধে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে আগামী ১৬ মে পর্যন্ত সব আদালত ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

‘উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ছুটির সময়ে বাংলাদেশের প্রত্যেক জেলার জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর এলাকার মহানগর দায়রা জজ, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক, বিশেষ জজ আদালতের বিচারক, সন্ত্রাস দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক, দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক, জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এবং জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নিজে অথবা তার নিয়ন্ত্রণাধীন এক বা একাধিক ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা আদালত কর্তৃক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ ২০২০ এবং উচ্চ আদালতের জারিকৃত বিশেষ প্র্যাকটিস নির্দেশনা’ অনুসরণ করে শুধু জামিন সংক্রান্ত বিষয়গুলো তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ভার্চুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে নিষ্পত্তি করার উদ্দেশে আদালতের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্দেশ দেয়া হলো।

এ নির্দেশনা জারির পর ১১ মে থেকে ভার্চুয়াল আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়।

আমারসংবাদ/এসআর/এআই