শুক্রবার ২৯ মে ২০২০

১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

ই-পেপার

নিজস্ব প্রতিবেদক

মে ২০,২০২০, ১১:৩৬

মে ২০,২০২০, ১২:০৯

ধেয়ে আসছে ‘আম্ফান’, সমুদ্র বন্দরগুলোতে মহাবিপদ সংকেত

বাংলাদেশের উপকূলের প্রায় ৩৫০ কিলোমিটারের মধ্যে চলে এসেছে ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’। বুধবার (২০ মে) সন্ধ্যার মধ্যেই বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করতে পারে ঘূর্ণিঝড়টি।

এদিকে চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরে আবারো বিপদ সংকেত বাড়ানো হয়েছে। আগের ৬ নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

বুধবার সকাল ১০টায় আবহাওয়া অধিদফতরের ওয়েবসাইটে এসব তথ্য জানানো হয়।

এদিকে মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোও এই ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

এর আগে আবহাওয়া অধিদফতরের ৩১ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বুধবার সকাল ৬টায় ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৬৫ কি.মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৪৫ কি.মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৯০ কি.মি. দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ৪১০ কি.মি. দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল।

আবহাওয়া বিভাগ আরো জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৮৫ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ২০০ কি.মি. যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ২২০ কি.মি. পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছে সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় অতিক্রমকালে সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও চট্টগ্রাম জেলাসমূহ এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণসহ ঘণ্টায় ১৪০-১৬০ কি.মি. বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে অতিসত্ত্বর নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলেছে আবহাওয়া বিভাগ।

আমারসংবাদ/জেডআই