রবিবার ০৭ জুন ২০২০

২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

ই-পেপার

জানুয়ারি ২৪,২০১৫, ১২:০৬

জানুয়ারি ০৪,২০২০, ১০:৪০

ডিপ্রেশনে ভুগছিলেন দীপিকা পাড়ুকোন

 

 দীপিকা পাড়ুকোন ডিপ্রেশনে ভুগছিলেন। ভাবা যায়! গ্ল্যামার, খ্যাতি, যশ, প্রতিপত্তি, সঙ্গী, কী নেই তাঁর! তারপরও ডিপ্রেশন? সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে তিনি সে কথাই স্বীকার করেছেন। ডিপ্রেশন আর অ্যাংজাইটির জন্য নাকি সকালে ঘুম থেকে উঠতে পারতেন না তিনি।

 ওঠার পরও এক অদ্ভুত শূন্যতা অনুভব করতেন। খারাপ লাগার তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে রীতিমতো ওষুধের সাহায্য নিতে হয়। তিনি নিজেও নাকি বুঝতে পারেননি সমস্যা এতটা গভীর। মায়ের সঙ্গে কথা বলার পর, তাঁর মা বিষয়টাকে গুরুত্ব দেন।

তারপরই চলতে থাকে চিকিৎসা। এখন তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ। আর সুস্থ হওয়ার পরেই তিনি বুঝতে পেরেছেন বিষয়টা হালকাভাবে নেওয়া মোটেই উচিত্‍ নয়। কেন হঠাৎ দীপিকার মতো সফল একজন এরকম ডিপ্রেশনের শিকার হলেন? কী নেই তাঁর কাছে? সাফল্য, অর্থ, নাম, যশ, সব কিছু। তাহলে কেন এই ডিপ্রেশন? পাওয়ার ঘর যখন ভর্তি তখন আবার সমস্যা কীসের? উদ্বেগই বা কীসের? আপাত দৃষ্টিতে বিষয়টা যত সহজ মনে হয়, আদতে কিন্তু তা নয়।

'অতিরিক্ত কাজ, স্ট্রেস থেকে কিন্তু একটা শূন্যতা আসে। যতক্ষণ কাজ আছে ততক্ষণ উত্তেজনা রয়েছে। যেই কাজ নেই অমনি একটা খালি খালি ভাব। ব্যস্ততার জন্য কোনো বন্ধু বা পরিবারকে সময় দেওয়া হয় না। তাঁরাও ফোন করেন বা সারপ্রাইজ ভিজিট করে বিরক্ত করেন না।

সমস্যাটা হয় সেখান থেকেই। সাফল্যের চূড়ায় বসে ভালো নেই বলতেও বাধো বাধো ঠেকে। সেই পিক-এ সব সময় থাকা সম্ভব কি না তা নিয়েও চলতে থাকে চিন্তা। মনের কথাটা খুলে বলতেও সমস্যা হয়। তাই সমস্যা বাড়তেই থাকে। সময় থাকতে থাকতে চিকিৎসা করানো উচিত। নিজে থেকেই ঠিক হয়ে যাবে, এরকম ভাবার কোনো কারণ নেই। দৈহিক সমস্যার মতোই কিন্তু মানসিক সমস্যাও সমান গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।