শনিবার ০৪ এপ্রিল ২০২০

২১ চৈত্র ১৪২৬

ই-পেপার

নিজস্ব প্রতিবেদক

মার্চ ১৮,২০২০, ০২:২০

মার্চ ১৮,২০২০, ০২:২০

‘করোনাভাইরাসের কারণে নিত্যপণ্যের দাম বাড়বে না’

ভয়াবহ করোনাভাইরাসের কারণে নিত্যপণ্যের দাম বাড়বে না।  নিত্য প্রায়োজনীয় পণ্যের যথেষ্ট মজুদ আছে। এজন্য আতঙ্কিত এবং অস্থির হওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

বুধবার (১৮ মার্চ) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ থেকে টিসিবি সাবসিডি দিয়ে খোলাবাজারে পণ্য বিক্রি শুরু করবে।’

তিনি বলেন, ‘স্কুল-কলেজ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর পরই সাধারণ মানুষ হুমড়ি খেয়ে পড়েছে পণ্য ক্রয়ে। তারা মনে করছে, নিত্যপণ্যের সংকট সৃষ্টি হবে। সাপ্লাই থাকবে না।

এই সুযোগগুলো নিচ্ছে খুচরা ব্যবসায়ীরা। কিন্তু আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের যথেষ্ট মজুদ রয়েছে। এমনকি আছে সরবরাহও।’

সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, এ বছর ৩ কোটি ৮৭ লাখ মেট্রিক টন চালের লক্ষ্যামাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছর ছিল ৩ কোটি ৭৪ লাখ মেট্রিক টন। বর্তমানে সরকারিভাবে ১৪ দশমিক ৩৬ লাখ মেট্রিকটন চাল মজুদ রয়েছে।

সরকারি পর্যায়ে গমের মজুদের পরিমাণ ৩ দশিমক ২৬ লাখ মেট্রিক টন। ভোজ্য তেলের ১৮ দশমিক ২৬ লাখ মেট্রিক টন চাহিদার বিপরীতেএ বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আমদানি হয়েছে ১৬ দশমিক ৮৪ লাখ মেট্রিক টন।

গত অর্থবছরে আমদানির পরিমাণ ছিল ১৫ দশমিক ৩০ লাখ মেট্রিক টন।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘রমজানকে সামনে রেখে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) আরও বেশি তেল, চিনি, ছোলা ও পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করবে। মুজিববর্ষে ইতোমধ্যে এগুলো বিক্রি শুরু হয়েছে।’

টিপু মুনশি বলেন, ‘ক্রেতারা বেশি পরিমাণ পণ্য কিনছে দেখে বাজারে অস্থরিতা সৃষ্টি হয়েছে। পাইকারি বাজারে দাম বাড়েনি। প্রত্যেকটি পণ্যের ২৫-৩০ শতাংশ মজুত বেশি আছে। বৈশ্বিক সমস্যার পরও আমাদের সবকিছু সুদৃঢ় আছে।

সাধারণ মানুষদের জন্য মোটিভেশন ক্যাম্পেইন প্রয়োজন। মানুষ যেন বাজারে প্যানিক সৃষ্টি করতে না পারে। আতঙ্কিত হয়ে পণ্য কেনার কোনও কারণ নেই। মানুষ যদি সচেতন না হয় তাহলে লাখ লাখ খুচরা ব্যবসায়ীকে কন্ট্রোল করা কঠিন হয়ে পড়বে বলে জানান তিনি।’

আমারসংবাদ/এআই