শনিবার ০৪ এপ্রিল ২০২০

২১ চৈত্র ১৪২৬

ই-পেপার

নিজস্ব প্রতিবেদক

মার্চ ০৬,২০২০, ১০:৫৯

মার্চ ০৬,২০২০, ১০:৫৯

২০০ টাকার নোটসহ আসছে ৪ ধরনের স্মারক নোট ও মুদ্রা

১৭ মার্চ প্রথমবারের মত বাজারে আসছে ২০০ টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোট। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ স্মরণীয় করে রাখতে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে ১৮ মার্চ থেকে নতুন এই নোট অন্যান্য ব্যাংক নোটের মত দৈনন্দিন লেনদেনে ব্যবহৃত হবে। নোটের গায়ে প্রচলিত ব্যাংক নোটের মতোই লেখা থাকবে—‘চাহিবামাত্র ইহার বাহককে দিতে বাধ্য থাকিবে’।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে আরও জানা গেছে, ২০০ টাকার ব্যাংক নোট ছাড়াও ১৮ মার্চ থেকে স্বর্ণ ও রৌপ্য স্মারক মুদ্রা এবং ১০০ ও ২০০ টাকা মূল্যমানের স্মারক নোট বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিসসহ অন্যান্য শাখা অফিসে পাওয়া যাবে। মুজিববর্ষ স্মরণীয় করে রাখতে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

২০০ টাকার নোট ছাড়াও ১০০ টাকা মূল্যমানের স্মারক নোট, ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের স্মারক স্বর্ণ মুদ্রা এবং ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের রৌপ্য মুদ্রাও বাজারে আসছে। আগামী ১৭ মার্চ এগুলো বাজারে ছাড়া হবে। ওই দিন রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর উদ্বোধন করবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘২০০ টাকার স্মারক ব্যাংক নোটটি হবে প্রচলিত নোটের মতোই, যা দিয়ে লেনদেন করা হবে। প্রথম বছর স্মারক ব্যাংক নোট হিসেবে এটি বাজারে থাকলেও পরের বছর থেকে নিয়মিত নোট হিসেবে পাওয়া যাবে।’ যে মুদ্রা তথা ব্যাংক নোট কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে ছাপানো হয়, সেটাই স্মারক নোট। তবে ১০০ টাকার যে স্মারক নোটটি বের করা হচ্ছে সেটার গায়ে উল্লেখ থাকবে ‘বিনিময়যোগ্য নয়’।

বর্তমানে বাজারে ১ টাকা, ২ টাকা, ৫ টাকা, ১০ টাকা, ২০ টাকা, ৫০ টাকা, ১০০ টাকা, ৫০০ টাকা ও ১০০০ টাকার নোট প্রচলিত আছে। এর পাশাপাশি আছে ১, ২ ও ৫ টাকার কয়েন। কিন্তু ২০০ টাকার কোনো নোট নেই। এতে ৫০০ বা ১০০০ টাকার নোট ভাঙতির ক্ষেত্রে ১০০ টাকা বা তার কম মূল্যমানের নোটে বেশি চাপ পড়ে। যেমন কেউ ১০০ টাকার বাজার করে ৫০০ টাকার নোট দিলে ৪০০ টাকা ফেরত দিতে চারটি ১০০ টাকার নোটের প্রয়োজন হয়।

একইভাবে ৪০০ টাকার জন্য আটটি ৫০ টাকা, ২০টি ২০ টাকা অথবা ৪০টি ১০ টাকা দিতে হচ্ছে। এটা খুবই ব্যয়বহুল উল্লেখ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, লেনদেন আরো সহজ করতে ২০০ টাকার নোট এমনিতেই ছাড়ার চিন্তা করা হচ্ছিল। এখন বিশেষ উদ্দেশ্যকে ফোকাস করে আনা হচ্ছে বলে স্মারক ব্যাংক নোট বলা হচ্ছে।

তাঁরা আরো জানান, ২০০ টাকার নোট বের হলেই ১০০ টাকার চাহিদা অর্ধেক হয়ে যাবে। এতে ৫০০ টাকার চাহিদাও কমে আসবে।

আমারসংবাদ/এমএআই