সোমবার ২৫ মে ২০২০

১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

ই-পেপার

আমার সংবাদ ডেস্ক

মে ২২,২০২০, ০৭:০৯

মে ২২,২০২০, ০৭:০৯

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ডিএমপির ১৪ নির্দেশনা

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে এবার ঈদুল ফিতরের নামাজের জামাত উন্মুক্ত স্থানের বদলে স্থানীয় মসজিদগুলোয় অনুষ্ঠিত হবে।

এক্ষেত্রে নিরাপত্তার স্বার্থে মুসল্লিদের বাসা থেকে ওজু করে, মাস্ক পরে ও জায়নামাজ সঙ্গে নিয়ে মসজিদে যাওয়ার আহবান জানিয়েছে পুলিশ।

সেইসঙ্গে নামাজ শেষে কোলাকুলি বা হাত মেলানো থেকেও বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

শুক্রবার ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহাঃ শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

ওই বিজ্ঞপ্তিতে নগরবাসীকে মোট ১৪ নির্দেশনা দিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মুসল্লিদের উপস্থিতি বেশি হলে প্রয়োজনে একই মসজিদে একাধিক জামাতের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

তবে সব ক্ষেত্রেই পুলিশের নির্দেশনা মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ঈদুল ফিতর উদযাপন করতে বলা হয়েছে।

১. ঈদের নামাজের জামায়াতের পূর্বে সম্পূর্ন মসজিদ জীবানুনাশক দ্বারা পরিস্কার করতে হবে।

২. ঈদের নামাজের জামায়াতের সময় মসজিদে কার্পেট বিছানো যাবে না। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিগণ প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসবেন। মসজিদে সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে না।

৩. করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধ নিশ্চিতকল্পে মসজিদে প্রবেশদ্বারে সাবান/হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে।

৪. মসজিদের ওযু খানা ব্যবহার না করে প্রত্যেককে নিজ নিজ বাসস্থান থেকে ওযু করে মসজিদে আসতে হবে এবং ওযু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।

৫. ঈদের নামাজের জামায়াতে আগত ধর্মপ্রাণ মুসল্লীগণকে অবশ্যই মাস্ক পরে মসজিদে আসতে হবে।

৬. ঈদের নামাজ আদায়ের সময় কাতারে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দুরুত্ব ও স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণ করে দাঁড়াতে হবে।

৭. এক কাতার অন্তর অন্তর কাতারবদ্ধ হতে হবে।

৮. করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে মসজিদে জামায়াত শেষে কোলাকুলি এবং পরস্পর হাত মেলানো থেকে বিরত থাকুন।

৯. মসজিদে শৃঙ্খলার সাথে প্রবেশ ও বাহির হওয়ার ক্ষেত্রে পৃথক পৃথক ব্যবস্থা রাখার জন্য মসজিদ কমিটিকে অনুরোধ করা হলো।

১০. করোনা পরিস্থিতিতে আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের বাসায় যাতায়াত করা থেকে বিরত থাকুন।

১১. ঈদের দিন ও পরবর্তী সময়ে বিনোদন কেন্দ্রে যাতায়াত না করে নিজ ঘরে অবস্থান করে পরিবারের সদস্যদের সাথে ঈদ উদযাপন করুন।

১২. ঈদ উদযাপনের লক্ষ্যে যারা ঢাকার বাহিরে যাবেন তারা তাদের বাসা অথবা ফ্ল্যাটের মেইন গেটে অটোলক ব্যবহার করুন এবং বাসাবাড়ী ত্যাগের পূর্বে রুমের দরজা-জানালা সঠিকভাবে তালাবদ্ধ করুন।

১৩. মালিক পক্ষ স্ব স্ব মার্কেট/শপিং মলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করুন এবং আপনার এলাকার থানা/ফাঁড়ির সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখুন।

১৪. খালি বাসায় মূল্যবান সামগ্রী না রেখে ঢাকায় অবস্থান করছেন এমন আত্মীয়-স্বজনদের বাসায় তা রেখে যান।

আমারসংবাদ/এআই