শনিবার ০৬ জুন ২০২০

২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

ই-পেপার

তপু সরকার হারুন, শেরপুর

এপ্রিল ০৮,২০২০, ১২:০৯

এপ্রিল ০৮,২০২০, ১২:০৯

শেরপুরে পৌর কাউন্সিলরে বিরুদ্ধে গৃহবধূ নির্যাতনের অভিযোগ!

শেরপুর পৌর সভার ৫ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মাসুদ রানার কাছে ত্রাণ চাইতে গিয়ে এক গৃহবধূ নির্যাতনের শিকার বলে অভিযোগ উঠেছে।গৃহবধু চাপাতলী মধ্যপাড়া মহল্লার রিকশা চালক লিটনের স্ত্রী ও ব্র্যাককর্মী বলে জানাযায়। কাউন্সিলর ঐ অভিযোগটি অস্বীকার করে গৃহবধূ মহিলার বিরুদ্ধে উল্টো মোবাইল চুরির অভিযোগ দিয়েছে কাউন্সিলর রানা।

এলাকাবাসী ও অভিযোগকারী আসমা বেগম জানায়, আসমার স্বামী শহরে রিকশা চালায় এবং সে পার্শ্ববর্তী ব্র্যাকের সেলাইয়ের কাজ করে। সম্প্রতি করোনা সতর্কতার কারণে তার কাজ এবং তার স্বামীর রিকশা চালানো কাজ বন্ধ রয়েছে। ফলে বেশ কয়েকদিন যাবত খাদ্য সংকটে থাকায় বিভিন্ন লোকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে কিছু না পেয়ে অবশেষে সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে খরমপুরস্থ ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মাসুদ রানার বাড়িতে যায় ত্রাণের জন্য।

এসময় বাড়ির ভিতর থেকে প্রথতে রানার ভাই জুয়েল এসে আসমাকে কাউন্সিলর নেই বলে চলে যেতে বলে। কিন্তু আসমা অনেক অনুরোধ করতে থাকে কিছু চালের জন্য।

কাউন্সিলর নিজে এসে বলেন, আমরা কোন ত্রাণ পাইনি তাই আমার পক্ষে কিছু দেয়া সম্ভব নয়। এক পর্যায়ে আসমা রানাকে গালমন্দ শুরু করলে রানা ও তার ভাই আসমাকে মারধর করে টেনে হিছড়ে বাড়ি থেকে বের করে দেয়।

এদিকে, এ অভিযোগের বিষয়ে কাউন্সিলর রানা জানান, মহিলাকে মারপিট তো দুরের কথা গায়েই হাত দেয়া হয়নি। সে আমার বাড়িতে ঢুকে প্রথমে ত্রাণ চেয়ে না পেয়ে আমার ঘরের জানালা দিয়ে বিছানার উপর রাখা দুটি মোবাইল চুরি করে নিয়ে যাবার সময় আমি দেখে ফেলি এবং তখন তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেই।

এ ব্যপারে শহর ফাঁড়ি’র এসআই ফজলু জানায়, আমি অন্য একটি কাজ শেষে ওই পথে ফাঁড়িতে যাবার সময় ওই মহিলা আমার কাছে কান্নাকাটি করে বিচার দিলে কাউন্সিলের সাথে এবং প্রত্যক্ষদর্শী বেশ কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানতে পারি মহিলাটি ত্রাণ নিতে এসে না পেয়ে কাউন্সিলরকে গালিগালাজ করে। পরে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। কিন্তু মোবাইল চুরি ব্যাপারে কাউন্সিলর কোনো অভিযোগ করেনি। এছাড়া এব্যপারে লিখিত কোন অভিযোগও দেয়া হয়নি।

আমারসংবাদ/এমআর