বৃহস্পতিবার ০৯ এপ্রিল ২০২০

২৬ চৈত্র ১৪২৬

ই-পেপার

বেলাল হোসেন মিলন, বরগুনা

মার্চ ২২,২০২০, ০৮:৫১

মার্চ ২২,২০২০, ০৮:৫১

বরগুনার ৩৫ প্রবাসীকে খুঁজছে পুলিশ

করোনা আতঙ্কের মধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বরগুনার সাত শ' ৭২ জন প্রবাসী বাংলাদেশের প্রবেশ করেছেন। এদের মধ্যে মধ্যে ৩৫ জনের কোনো হদিস না পাওয়ায় তাদের অনুসন্ধানে নেমেছে বরগুনা জেলা পুলিশ।

বরগুনা জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ৩ মার্চ থেকে শুরু করে ২১ মার্চ পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বরগুনার সাত শ'৭২ জন প্রবাসী বাংলাদেশের প্রবেশ করেছেন। এদের মধ্যে সাতশ' ৩৭ জনকে শনাক্ত করতে পেরেছে বরগুনা জেলা পুলিশ। এদের মধ্যে বরগুনা জেলার বিভিন্ন স্থানে নিজ বাড়িতে হোম কোয়া‌রেন্টাই‌নে আছেন ছয় শ' ৩২ জন। আর জেলার বাহিরে হোম কোয়া‌রেন্টাই‌নে আছেন একশ' পাঁচজন। হোম কোয়া‌রেন্টাই‌নে থাকা এসব প্রবাসীদের নিয়মিত খোঁজখবর নিচ্ছে বরগুনা জেলা পুলিশ।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে পরিত্রান পাওয়ার জন্য হোম কোয়া‌রেন্টাই‌নে থাকা এসব প্রবাসীদের স্বাস্থ্য সংস্থার দেয়া পরামর্শগুলো তাদের নিয়মিত জানানো হচ্ছে বরগুনা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে। এছাড়াও হোম কোয়া‌রেন্টাই‌নে মেয়াদ শেষ হয়েছে দুই শ' ৮৪ জনের।

বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. তোফায়েল আহমেদ বলেন, সদ্য বিদেশ ফেরত সাতশ' ৭২ জন প্রবাসীর মধ্যে আমরা সাত শ' ৩৭ জনকে শনাক্ত করতে পেরেছি এবং তাদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। যে ৩৫ জনকে এখনো আমরা শনাক্ত করতে পারেনি তাদের অনুসন্ধানে কাজ করছে বরগুনা জেলা পুলিশের একাধিক টিম। আশাকরি তাদেরকেও খুব দ্রুত আমরা সমাপ্ত করতে পারবো।

তবে জেলা পুলিশের এই তথ্যের সঙ্গে গরমিল দেখা দিয়েছে বরগুনার স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে পাওয়া তথ্যের সঙ্গে। বরগুনার সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী জেলায় এখন পর্যন্ত সদ্য বিদেশ ফেরত দুই শ' ৩২ জন প্রবাসী হোম কোয়া‌রেন্টাই‌নে রয়েছেন। এছাড়া বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে আইসোলেশনে রয়েছেন একজন।

এ বিষয়ে বরগুনার সিভিল সার্জন ডা. হুমায়ুন শাহিন খান বলেন, আমাদের কাছে যে তথ্য আছে এই তথ্যগুলো স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীদের সংগ্রহ করা তথ্য। তাই আমাদের তথ্যের সঙ্গে বরগুনা জেলা পুলিশের তথ্যের কিছুটা গরমিল দেখা দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কোনো প্রবাসী বাংলাদেশে প্রবেশ করলে সঙ্গে সঙ্গে সে তথ্য পুলিশ সংগ্রহ করে। কিন্তু এই তথ্য সঙ্গে সঙ্গে আমরা পাচ্ছি না। মূলত এ কারণেই তথ্যের গরমিল দেখা দিয়েছে। তবে সময় অতিক্রম হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই তথ্যগুলো কিন্তু আমরা পেয়ে যাচ্ছি। এবং সাথে সাথেই আমরা সেসব প্রবাসীদের সঙ্গে যোগাযোগ করছি।

আমারসংবাদ/এমআর