সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০

৫ আশ্বিন ১৪২৭

ই-পেপার

রাসেল মাহমুদ

প্রিন্ট সংস্করণ

ফেব্রুয়ারি ১৪,২০২০, ০৮:০৮

ফেব্রুয়ারি ১৪,২০২০, ০৮:০৮

বসন্ত আর ভালোবাসায় রঙিন বইমেলা

বসন্ত আর ভালোবাসা দিবস— এবার দুই-ই মিলেমিশে একাকার। দুই উৎসবের উদযাপন একদিনে, তাই আনন্দ যেনো একটু বেশি-ই! ইট-পাথরের নগরে বসন্তের রূপ-রস মনের মতো ধরা না দিলেও নগরের মানুষ ঠিকই উদযাপন করেছে দিনটি।

বসন্ত আর ভালোবাসাকে একই সঙ্গে বরণ করার আনন্দে নগরের অলি-গলিতে বেজে ওঠে সুর, ‘আহা আজি এ বসন্তে’/‘বসন্ত এসে গেছে’/‘মনের রঙ লেগেছে বনের পলাশ জবা অশোকে’। আবার ‘ভালোবাসা ভরা ভালোবাসার এই দিবসে/আমরা দু’জন দু’জনাতে হই মগ্ন/কম্পিত ঠোঁটে ভাষাহীন চোখে নীরবে/বয়ে যায় শতলগ্ন’ বা ‘তোমার চোখের পানে চেয়ে আমার সময় কেটে যায়/আমার কোনো ভাবনা নাই।’ প্রিয়জনের চোখে চোখ রেখে হারিয়ে যাওয়া বা প্রিয়জনকে ভালোবাসি বলার দিনও ছিলো গতকাল।

দিনটি ছিলো তুমি, আমি; আমি, তুমি— এক হয়ে যাওয়ার। এদিন প্রিয়জনের চোখে চোখ রেখে, হাত ধরে খুব সহজেই বলে দেয়া গেলো— ‘আমি তোমার সঙ্গে বেঁধেছি আমার প্রাণ।’ এমন আবেগে ভেসে গিয়ে উদযাপিত হলো বিশ্ব ভালোবাসা দিবসও। ফাগুন আর ভালোবাসার আনন্দে জমে ওঠে অমর একুশে গ্রন্থমেলাও। বসন্ত আর ভালোবাসার রঙে রঙিন হয়ে ওঠে মেলাপ্রাঙ্গণ।

বইমেলার পাশাপাশি বসন্ত আর ভালোবাসার আবেশ বয়ে গেছে নগর থেকে গ্রামীণ আবহেও। রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে পালিত হয়েছে দিবসটি। বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি, চারুকলা, বকুলতলা, শাহবাগ, ধানমন্ডি লেক, রমনা পার্কসহ বিভিন্ন স্থানে যুগলদের ঢল নামে। সুর বন্দনায় এ বসন্তকে বরণ করে নিতে নাচে গানে মেতে ওঠে ঢাকাবাসী।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার বকুলতলায় গতকাল শুক্রবার সকাল ৭টা থেকে শুরু হয়ে দিনব্যাপী চলে বসন্ত উৎসব। জাতীয় বসন্তবরণ উদযাপন পরিষদ এ আয়োজন করে। রাজধানীতে বসন্ত বরণে এ আয়োজন আরও তিনটি জায়গায় করা হয়েছে।

বকুলতলা ছাড়াও সকাল ৮টায় ধানমন্ডি লেক পাড় রবীন্দ্র সরোবরে এবং উত্তরার ৩ নম্বর সেক্টরের উন্মুক্ত মঞ্চে বিওকল ৪টা থেকে রাত পর্যন্ত অনুষ্ঠান চলে। এ ছাড়া ওয়াইজ ঘাট এলাকার বুলবুল ললিতকলা অ্যাকাডেমি (বাফা) মাঠেও আয়োজন করা হয় বসন্তবরণের অনুষ্ঠান।

বকুল তলায় অনুষ্ঠানের শুরু হয় সুস্মিতা দেবনাথ ও সহ-শিল্পীর ধ্রুপদী সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে। আয়োজকরা জানান, সকালের পর্বে একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন লাইসা আহমেদ লিসা, খাইরুল আনাম শাকিল, লুভা নাহিদ, বিজন চন্দ্র মিস্ত্রি, ফেরদৌস আরা, অনিমা রায়, খায়রুজ্জানান কাইয়ুম, নাসিমা শাহীন ফেলি, বিমান চন্দ্র বিশ্বাস, বুলবুল ইসলাম, দেবলীনা সুর, তানজিনা তমা, সঞ্চারী দত্ত, জান্নাতুল ফেরদৌস লাকি ও জিনাত আরা ছবি। এ ছাড়াও পরিবেশিত হয় দলীয় নৃত্য।

এদিকে, বসন্ত আর ভালোবাসা যেনো একাকার হয়ে যায় অমর একুশে গ্রন্থমেলায়। একই দিনে সাপ্তাহিক ছুটি আর শিশুপ্রহর থাকায় মেলায় ছিলো উপচেপড়া ভিড়। ফাগুনের আগুনে জ্বলে ভালোবাসা এদিন পরিণতি পেয়েছে। মেলায় যুগলদের দেখা গেছে বাসন্তি আর রক্তলাল শাড়ি-পাঞ্জাবিতে।

তাদের ভালোবাসার পরশ লেগেছিল মেলাপ্রাঙ্গণে। যুগলদের হাতে হাতে শোভা পাচ্ছিল লাল গোলাপ। একে অন্যের হাতে ভালোবাসার উপহার হিসেবে তুলে দেন প্রিয় লেখকের বই। অমর একুশে গ্রন্থমেলার পুরো মাসজুড়ে প্রকাশকরা বিশেষ তিনটি দিবসকে কেন্দ্র করে বই বিক্রির সাফল্য চিন্তা করেন প্রকাশকরা। পহেলা ফাল্গুন, ভালোবাসা দিবস আর একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস।

গতকাল পহেলা ফাল্গুন আর বিশ্ব ভালোবাসা দিবস একই দিনে ছিলো। তাই বইমেলা এবার একটা দিন হারিয়েছে! তবে দুটো উৎসব একই দিনে পড়লেও বই বিক্রি মোটামুটি ভালোই ছিলো। এদিন শহরের নানা জায়গায় ঘুরে দুপুর পেরোতেই যুগলরা ছুটে আসেন মেলায়। তাদের পাশাপাশি মেলায় এসেছিলেন বইপ্রেমীরাও। তাদেরও জানা ছিলো মেলা তার দ্বিতীয় সপ্তাহ পার করছে।

তাই বেশির ভাগ প্রকাশনার স্টলে নতুন বইগুলো চলে এসেছে। এদিন অনেকে পরিবার-পরিজন নিয়েও মেলায় আসেন। প্রকাশকরা জানান, প্রেমের কবিতা, গল্প ও উপন্যাসের বই বিক্রি হয়েছে বেশি। গতকাল শুক্রবার মেলার দ্বার খোলে সকাল ১০টায়।

শিশু প্রহর থাকায় নির্ধারিত সময়ের আগেই গেটের সামনে অপেক্ষা করতে থাকেন আগত বইপ্রেমীসহ শিশু-কিশোররা। বেলা একটু বাড়ার সাথে সাথেই আগমন ঘটে প্রেমিকযুগল ও তরুণ-তরুণীদের। মেলায় আগত সবার পোশাকেই ছিলো ভালোবাসার রঙ লালের আধিক্য। সন্ধ্যার দিকে মেলায় আসেন দেশের প্রতিষ্ঠিত সব লেখকসহ নবীন-প্রবীণরা।

ফলে গতকাল মেলা প্রাঙ্গণে ছিলো জনতার জোয়ার। এদিন বই বিক্রি নিয়ে মোটামুটি সন্তুষ্ট অধিকাংশ প্রকাশক। কাকলী প্রকাশনীর প্রকাশক এ কে নাসির আহমেদ সেলিম বলেন, উৎসবের আমেজে প্রতি বছরই মেলায় বিক্রি বাড়ে। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। আজকের বিক্রি নিয়ে মোটামুটি খুশি আমরা।

অন্যপ্রকাশের বিক্রয়কর্মী রাতুল বলেন, আমাদের এখানে আজ বই বিক্রি বেশ ভালো। সব সময়ই হুমায়ূন আহমেদের বই বেশি বিক্রি হয়। এবারো বেশি বিক্রি হচ্ছে তার বই। বিশেষ করে তার শ্রেষ্ঠ প্রেমের উপন্যাস বইটি বেশি চলছে।

ঐতিহ্য প্রকাশনীর ব্যবস্থাপক আমজাদ হোসেন কাজল বলেন, বিশেষ দিবস এলে বইমেলায় উপস্থিতি বাড়ে। বিক্রিও বাড়ে। তবে সেই অনুপাতে বিক্রি খুব বাড়েনি। তবে অন্যান্য দিনের চেয়ে বিক্রি বেশ ভালো হয়েছে।

সদ্য বিবাহিত রাজিব তার স্ত্রী তমাকে নিয়ে বইমেলায় এসেছেন। পহেলা ফালগুন আর ভালোবাসা দিবস হওয়ায় তাদের রোমান্স ছিলো চোখে পড়ার মতো। কথা হলে তিনি বলেন, আমি এর আগে অনেকবার মেলায় এসেছি। কিন্তু স্ত্রীকে নিয়ে এবারই প্রথম এলাম। পহেলা ফাল্গুন আর ভালোবাসা দিবস আমাদের নতুন করে ভালোবাসতে শিখিয়েছে। বইমেলাও সাধারণের মধ্যে ভালোবাসা ছড়িয়ে দেয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আনজুম তামান্না বলেন, মেলার পরিবেশ এবার বেশ ভালো। নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রবেশ ও নির্গমন পথের ব্যবস্থাপনাও ভালো। তাই মেলায় ঘুরতে খারাপ লাগছে না। প্রিয় মানুষটির জন্য একটা উপন্যাস এবং একটা কবিতার বই নিয়েছি।

এদিকে প্রিয় মানুষের সাথে বিশেষ দিনটি কাটানোর জন্য রাজধানীর সকল স্তরের তরুণ-তরুণী বের হয়েছিলেন ঘর থেকে। তাই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ‘ভালোবাসি’ শব্দটি বারবার উচ্চারিত হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়। তারুণ্যের এই তীর্থস্থান বিভিন্ন বয়সির উপচেপড়া ভিড়ে রূপ নিয়েছিল ভালোবাসার তীর্থ ‘বৃন্দাবনে’।

শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি, চারুকলা অনুষদই নয়, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ধানমন্ডি লেক, রমনার বটমূলসহ সবখানেই যুগল তরুণ-তরুণীদের ছিলো সরব উপস্থিতি। সকালের দিকে টিএসসিতে তরুণ-তরুণীদের উপস্থিতি কম থাকলেও বিকেলে বসেছিল যুগলবন্দির মেলা।

গতকাল শুক্রবার ছিলো অমর একুশে গ্রন্থমেলার ১৩তম দিন। মেলা চলে বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। গ্রন্থমেলায় ছিলো শিশুপ্রহর। এদিন নতুন বই এসেছে ৩৬৯টি। দুপুর ১টায় শিশু-কিশোর আবৃত্তি প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এতে ক শাখায় ১০ জন এবং খ শাখায় ১১ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন আবৃত্তিশিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আশরাফুল আলম।

বিকেল ৪টায় গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় আসাদ চৌধুরী রচিত ‘সংগ্রামী নায়ক বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শোয়াইব জিবরান। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন আনিসুর রহমান এবং নূরুন্নাহার মুক্তা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক খুরশীদা বেগম।

প্রাবন্ধিক বলেন, নিজস্ব একটি ভূমির অর্জন ও রক্ষার দীর্ঘ লড়াইয়ের ইতিহাস পৃথিবীতে অনেক রয়েছে। কিন্তু বাঙালি জাতির নিজস্ব স্বাধীন ভূখণ্ড লাভের ইতিহাস সবচেয়ে বিস্ময়কর। বাঙালি জাতি মাত্র ৯ মাস সশস্ত্র যুদ্ধ করে তাদের স্বপ্নের একটি স্বাধীন ভূখণ্ড প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছিল।

কিন্তু এ অবিশ্বাস্য অর্জনের পেছনে একজন মানুষ বিনিয়োগ করেছিলেন তার সমগ্র জীবন। তিনি বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে অসংখ্য সাহিত্যকর্মের সৃষ্টি হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কবি আসাদ চৌধুরীর রচিত ‘সংগ্রামী নায়ক বঙ্গবন্ধু’ গ্রন্থটি অন্যতম। এখানে অত্যন্ত শিল্পদক্ষতার সাথে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ইতিহাসের একজন মহানায়কের দীর্ঘ অভিযাত্রা।

আলোচকরা বলেন, ‘সংগ্রামী নায়ক বঙ্গবন্ধু’ গ্রন্থটিতে কবি আসাদ চৌধুরী অত্যন্ত সচেতনভাবে বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবনের কথা তুলে ধরেছেন। বঙ্গবন্ধুর কথা, কাজ ও সংগ্রাম সবই ছিলো মানুষের জন্য নিবেদিত। বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক আদর্শ ও জীবনদর্শন আমাদের জন্য চিরকালের আদর্শ।

‘সংগ্রাম’ শব্দটি বঙ্গবন্ধুর জীবনের সাথে এতটাই ওতপ্রোতভাবে জড়িত যে, গ্রন্থের শিরোনাম আমাদের সামনে বজ্রকণ্ঠের এক মহানায়কের অবয়ব ফুটিয়ে তোলে। বাঙালি জাতি হিসেবে আমরা গর্ব অনুভব করতে পারি যে, আমরা এ স্বাধীন বাংলাদেশে জন্মেছি এবং বঙ্গবন্ধুর মতো মহান নেতাকে আমাদের আদর্শ হিসেবে পেয়েছি।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক খুরশীদা বেগম বলেন, একজন রাজনৈতিক নেতা মানবমুক্তির সংগ্রামে কীভাবে নিজেকে উৎসর্গ করতে পারে বঙ্গবন্ধু তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ। তিনি ছিলেন একজন সহজাত রাজনীতিক।

পৃথিবীতে মানুষের রাজনৈতিক ইতিহাসে এমন নেতা বিরল যাঁর ডাকে দুঃখ-দারিদ্র্যপীড়িত একটি দেশের সমগ্র জনগোষ্ঠী যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। অত্যন্ত প্রাঞ্জল ভাষায় লিখিত ‘সংগ্রামী নায়ক বঙ্গবন্ধু’র গ্রন্থটি তরুণ প্রজন্মের কাছে বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবনকে তুলে ধরার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

লেখক বলছি অনুষ্ঠানে নিজেদের নতুন বই নিয়ে আলোচনা করেন ফরিদ কবির, মাহবুব আজীজ, আফরোজা সোমা এবং চৌধুরী শহীদ কাদের। কবিকণ্ঠে কবিতা পাঠ করেন কবি কাজল বন্দ্যোপাধ্যায়, সাজ্জাদ আরেফিন, তারিক সুজাত এবং সুহিতা সুলতানা। আবৃত্তি পরিবেশন করেন আবৃত্তিশিল্পী আহকাম উল্লাহ, সায়েরা হাবীব এবং নাজনীন নাজ।

সঙ্গীত পরিবেশন করেন কণ্ঠশিল্পী খুরশিদ আলম, তানভীর সজীব আলম, তানজিনা করিম স্বরলিপি, মুর্শিদ আনোয়ার, রাজিয়া সুলতানা এবং শরণ বড়ুয়া। যন্ত্রাণুষঙ্গে ছিলেন রবীন্দ্রনাথ পাল (তবলা), সাহেদ সরকার বাপ্পী (প্যাড), সুমন রেজা খান (কি-বোর্ড), শাহরাজ চৌধুরী (গিটার)।

আজকের অনুষ্ঠানসূচি : আজ শনিবার অমর একুশে গ্রন্থমেলার ১৪তম দিন। মেলা চলবে বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত মেলায় থাকবে শিশুপ্রহর। সকাল ১০টায় শিশু-কিশোর সঙ্গীত প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বিকেল ৪টায় গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে শাহ্জাহান কিবরিয়া রচিত ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন আনজীর লিটন।

আলোচনায় অংশগ্রহণ করবেন হরিশঙ্কর জলদাস এবং খালিদ মারুফ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন অধ্যাপক সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ। সন্ধ্যায় রয়েছে কবিকণ্ঠে কবিতাপাঠ, আবৃত্তি এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

আমারসংবাদ/এসটিএমএ