বুধবার ০৩ জুন ২০২০

১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

ই-পেপার

সাদুল্লাপুর (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি

মে ১৬,২০২০, ০৩:৩৯

মে ১৬,২০২০, ০৩:৩৯

শসার ফলন ভালো হলেও উঠছে না উৎপাদন খরচ

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের সবজী অধিষ্ঠিত ধাপেরহাট,ইদিলপুর, রংপুর পীরগঞ্জের কাবিলপুর, রামনাথপুর ইউনিয়নের গ্রামের কৃষকরা রমজান মাসকে সামনে রেখে শসার আবাদ করে বেশি দামে বিক্রি করার আসায়। এ বছর শসার বাম্পার ফলনে জমিতে গিয়ে তৃপ্তির হাসি হাসলেও বাজারে শসা বিক্রি করতে এসে নিমিষেই ম্লান হয়ে যাচ্ছে সেই হাসি।

পাথর চাপা কষ্ট বুকে করে ফিরতে হচ্ছে তাদের। শসার ফলন ভালো হওয়ায় ও বাজারে চাহিদা না থাকায় একমণ শসা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১৬০/২০০টাকায়।এতে উৎপাদন খরচ উঠা নিয়ে দেখা দিয়েছে সংশয়।

সাদুল্লাপুরের ধাপেরহাটে কৃষকরা প্রতিদিন তাদের উৎপাদিত শশা, মরিচ সকালে বাজারে বিক্রি করার জন্য নিয়ে আসে।

বাজারে শসা বিক্রি করতে আশা কোনা পাড়া গ্রামের কৃষক জিল্লুর রহমান জানান, সে এবছর ষোল শতাংশ জমিতে শসার আবাদ করেছে একদিন পর পর ৩/৪ করে শসা বিক্রি করলেও বাজারে দাম না থাকায় উৎপাদন খরচই উঠবে না বলে জানান ।

ছোট ছত্রগাছা গ্রামের কৃষক ওসমান আলী বলেন, এক বিঘা জমিতে শসা ও করলার চাষ করেছি। তাতে খরচ হয়েছে ৩০ হাজার টাকা। বর্তমান বাজারে শসা ও করলা বিক্রি করে এত টাকা উঠবে না। বাজারে শসা ও করলার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪/৫ টাকায়। এ দুটি ফসলের ফসল সংগ্রহ শুরু হলে কম সময়ই গাছ মরে যায়। তাই আসল টা আর উঠবে না। গাছ আস্তে মরে যাচ্ছে।

করোনা ভাইরাসে লক ডাউন থাকায় দূরদূরান্তের ক্রেতা না আসায় বাজারে এমন প্রভাব পড়েছে বলে মনে করছে অনেকই।

আমারসংবাদ/কেএস