বুধবার ০৩ জুন ২০২০

১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

ই-পেপার

কালাই (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি

মে ১০,২০২০, ০৩:১৯

মে ১০,২০২০, ০৩:১৯

কালাইয়ে লটারি মাধ্যমে প্রায় দেড় হাজার কৃষক নির্ধারণ

জয়পুরহাটের কালাইয়ে চলতি বোরো-ধান সংগ্রহের লক্ষ্যে উপজেলার বৃহৎ, মাঝারি ও ক্ষুদ্র ধান চাষিদের মাঝে মাইক্রোসফট অফিস প্রোগ্রামের মাধ্যমে লটারি করে সরকারিভাবে ধান ক্রয়ের জন্য চাষি নির্বাচন করা হয়েছে। এবার উপজেলায় ২৪হাজার ৩শ ৪৩ জন চাষির মধ্যে ১হাজার ৩শ ৫০ জন চাষিকে নির্বাচন করা হয়।

রোববার দুপুরে উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান মো. হেলাল উদ্দিল মোল্লা মাইক্রোসফট অফিস প্রোগ্রামের মাধ্যমে লটারি করে সরকারিভাবে ২৬ টাকা দরে ধান ক্রয়ের জন্য চাষি নির্বাচন করেন।

জানা গেছে, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে কালাই উপজেলার দুই-খাদ্য গুদামে চলতি বোরো-ধানে ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা ১হাজার ৭শ ৯ মেট্রিক টন। এবার উপজেলার দুই-খাদ্য গুদামে ২৬ টাকা কেজি দরে ১হাজার ৩শ ৫০কৃষক ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। উপজেলার একটি পৌরসভা ও ৫টি ইউনিয়নে কৃষি কার্ডধারী ২৪হাজার ৩শ ৪৩ জন কৃষক রয়েছে।

এই বিপুলসংখ্যক কৃষকের নিকট থেকে সরাসরি ধান ক্রয় সম্ভব না হওয়ায় মাইক্রোসফট অফিস প্রোগ্রামের মাধ্যমে লটারি করে বৃহৎ, মাঝারি ও ক্ষুদ্র ঐ তিন শ্রেণিবিন্যাসে ১হাজার ৩শ ৫০কৃষক নির্বাচন করা হয়। নির্বাচিত কৃষকগণ বৃহৎ কৃষক ২০%, মাঝারি ৩০%ও ক্ষুদ্র ৫০% করে জন প্রতি তিন টন হারে ধান সরকারি গুদামে আগামী ৩১ আগষ্ট মাস পর্যন্ত বিক্রি করতে পারবেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলার নির্বাহী অফিসার মো. মোবারক হোসেন পারভেজ, উপজেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রণ অফিসার মোছাঃ রেবেকা সুলতানা, কালাই উপজেলার ভারপ্রাপ্ত কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো.আসাদুজ্জামান, উপজেলা এলজিইডি'র প্রকৌশলী মো. সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিসার মোসাঃ লায়লা নাসরী জাহান প্রমুখ।

উক্ত লটারির শেষে কালাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মোবারক হোসেন পারভেজ বলেন, অনেক পরিশ্রম করে কৃষকেরা ধান উৎপাদন করেন। মধ্যসত্বভোগীরা যাতে সুবিধা গ্রহণ না করতে পারে সে জন্য কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান কেনা হবে। তবে কৃষকের ধান বিক্রয়ের সঙ্গে কোন মধ্যসত্বভোগীরা থাকতে পারবেনা। তাই সেদিকে জনপ্রতিনিধি, খাদ্য কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ঠদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তিনি।

আমারসংবাদ/কেএস